ক্রিকেট খেলা

ক্রিকেট খেলা
  • ক্রিকেট খেলার জন্ম হয় ইংল্যান্ডে।
  • ক্রিকেটের পিতৃভূমি হিসেবে পরিচিত ইংল্যান্ড।
  • ক্রিকেটের নিয়মাবলি রচনা ও প্রবর্তন করেন মেলবোর্ন ক্লাব।
  • ক্রিকেটের নিয়মাবলি প্রথম বিধিবদ্ধ হয় ১৭৭৪ সালে।
  • ক্রিকেট পিচের দৈর্ঘ্য ২২গজ (৬৬ ফুট বা ২০.১২ মিটার)।
  • ক্রিকেট পিচের প্রস্থ ১০ ফুট বা ৩.০৫ মিটার।
  • ক্রিকেট ব্যাট তৈরি করা হয় সাধারণত উইলো গাছের কাঠ থেকে।
  • ক্রিকেট ব্যাট এর দৈর্ঘ্য ৩৮ ইঞ্চি বা ৯৬.৫ সে.মি.।
  • ক্রিকেট ব্যাট এর প্রস্থ ৪.২৫ ইঞ্চি বা ১০.৮ সে.মি.।
  • ক্রিকেট বলের ব্যাস ২.৮ – ২.৮৭ ইঞ্চি বা ৭.১৩ – ৭.২৯ সে.মি.।
  • ক্রিকেট বলের পরিধি ৮.৮ – ৯ ইঞ্চি বা ২২.৪ – ২২.৯ সে.মি.।
  • ক্রিকেট বলের ওজন প্রায় ১৬০–১৬৩ গ্রাম।
  • মাটি থেকে স্টাম্পের উচ্চতা ২৮ ইঞ্চি।
  • তিনটি স্টাম্পের মাথায় থাকে ২টি বেল।
  • দুইটি দলে খেলোয়াড় থাকে ২২ জন (১১ জন + ১১ জন)।
  • ক্রিকেট খেলা মাঠে পরিচালনার জন্য থাকেন ২ জন আম্পায়ার।
  • ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে আবহাওয়াজনিত কারণে খেলা বিঘ্নিত হলে ফলাফল নির্ধারণ করা হয়।
  • ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতি প্রথম প্রয়োগ করা হয় ১৯৯৭ সালে জিম্বাবুয়ে ও ইংল্যান্ডের একদিনের আন্তর্জাতক সিরিজে।

ক্রিকেটে আউট

বর্তমান ক্রিকেটে ব্যাটসম্যান আউট হতে পারে ১১টি উপায়েঃ

  • বোল্ড আউট
  • ক্যাচ আউট
  • এলবিডাব্লিউ আউট
  • স্টাম্পড আউট
  • রান আউট 
  • অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড আউট
  • হিট উইকেট আউট 
  • হিট দ্য বল টোয়াইস আউট
  • হ্যান্ডেল্ড দ্য বল আউট
  • টাইমড আউট
  • রিটায়ার্ড আউট

নো-বল হলেও ব্যাটসম্যানকে ৩টি উপায়ে আউট করা যায়ঃ

  • রান আউট
  • হিট দ্য বল টোয়াইস আউট
  • অবস্ট্রক্টিং দ্য ফিল্ড আউট

একজন বোলার ৩জন ভিন্ন ব্যাটসম্যানকে পরপর ৩ বলে আউট করার স্বীকৃতিকে বলা হয় “হ্যাটট্রিক”

কোনো রান ছাড়াই বল সম্পন্ন হলে বলা হয় ডট বল।

ক্রিকেট খেলার ধরণ

টেস্টঃ টেস্ট ক্রিকেট খেলতে পারে আই সি সির পূর্ণ সদস্য দেশ। বর্তমানে টেস্ট খেলুড়ে দেশের সংখ্যা ১২টি। ১১তম ও ১২ তম টেস্ট মর্যাদা পায় আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তান। প্রথম টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-১৯ মার্চ, ১৮৭৭ সালে; অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যে। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম ম্যাচে জয়ী হয় অস্ট্রেলিয়া। “অ্যাশেজ” হলো ক্রিকেটের ট্রফি বিশেষ। যা ১৮৮২ সাল থেকে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অনুষ্ঠিত টেস্ট সিরিজে বিজয়ী দলকে প্রদান করা হয়। 

ওয়ানডে ক্রিকেটঃ “ওয়ানডে” বা “একদিনের আন্তর্জাতিক” ক্রিকেটে প্রতি দল ব্যাটিং করে ৫০ ওভার করে । প্রথম ওয়ানডে ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় ৫ জানুয়ারি, ১৯৭১ সালে; অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যে। ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম ম্যাচে জয়ী হয়–অস্ট্রিলিয়া।

টি–টুয়েন্টিঃ “টি২০” ক্রিকেট খেলার সংক্ষিপ্ততম সংস্করণ হিসেবে বিবেচিত। “টি২০” ম্যাচে প্রতিটি দল ব্যাটিং করে ২০ ওভার। প্রথম “টি২০” ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় ২০০৫ সালে; ইংল্যান্ডে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC)

  • বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থার নাম ICC ।
  • ICC–International Cricket Council । 
  • প্রতিষ্ঠিত হয় ১৫ জুন, ১৯০৯ সালে, ইংল্যান্ডের লর্ডসে।
  • প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া।
  • ICC’র পূর্ণ সদস্য দেশ ১২টি। (সর্বশেষ–আফগানিস্তান ২০১৭)।
  • প্রতিষ্ঠাকালীন নাম—Imperial Cricket Conference ।
  • ICC’র সদর দপ্তর দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত।
  • বাংলাদেশ ICC’র ১০তম পূর্ণ সদস্য।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC)

ক্রিকেট বিশ্বকাপ

  • বিশ্বকাপ ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয় ৪ বছর পর পর।
  • প্রথম বিশ্বকাপ ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয় ৭–২১ জুন, ১৯৭৫ সালে, ইংল্যান্ডের লর্ডসে।
  • প্রথম বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে–অস্ট্রেলিয়া ও উইন্ডিজ।
  • প্রথম বিশ্বকাপ ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয় উইন্ডিজ।
  • প্রথম বিশ্বকাপ ক্রিকেটে “ম্যান অব দ্য ম্যাচ” নির্বাচিত হন ক্লাকভি লয়েড।
  • Umpire Decision Review System চালু হয় ২০১১ বিশ্বকাপ থেকে।

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি

  • আইসিসি’র চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পূর্বনাম ছিল আইসিসি নকআউট টুর্নামেন্ট।
  • ২০০২ সালে সাম পরিবর্তন করে রাখা হয় আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি।
  • আইসিসি’র চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম আসর অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৮ সালে।
  • আইসিসি’র চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন হয় দক্ষিণ আফ্রিকা।
  • বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অংশগ্রহণ করে ২০০২ সালে।

আইসিসি ওয়াল্ড টি-২০

  • প্রথম আইসিসি ওয়াল্ড টি-২০ অনুষ্ঠিত হয় ২০০৭ সালে, দক্ষিণ আফ্রিকায়।
  •  আইসিসি ওয়াল্ড টি-২০ অনুষ্ঠিত হয় ২ বছর পর পর।
  • প্রথম  আইসিসি ওয়াল্ড টি-২০ চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত (রানার্সআপ পাকিস্তান)।

কিংবদন্তী ক্রিকেটার

ক্রিস গেইলঃ টি-২০ ক্রিকেটে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১০০০ রান করেন। ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রথম দ্বিশত রানের অধিকারী।

শচীন টেন্ডূলকারঃ ডাকনাম “লিটল মাস্টার” ও “মাস্টার ব্লাস্টার”। ওয়ানডে ক্রিকেটে এক ইনিংসে প্রথম দ্বিশত করেন। আস্তর্জাতিক ম্যাচে তাঁর মোট সেঞ্চুরি ১০০টি। ১০০টি সেঞ্চুরি ৪৯টি ওয়ানডেতে ও ৫১টি টেস্টে। ওয়ানডে ও টেস্টে সর্বাধিক রান সংগ্রাহক। ১৯৮৯ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয়। ২০১৪ সালে ভারতরত্ন উপাধি লাভ করেন।

ইমরান খান

ব্রায়ান লারাঃ উইন্ডিজের ব্রায়ান লারাকে ক্রিকেটের রাজ পুত্র বলা হয়। টেস্টে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক (৪০০ রান)।

জালাল উদ্দিনঃ ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথম হ্যাটট্রিককারী বোলার।

শোয়েব আখতানঃ ২০০৩ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘন্টায় ১৬১.৩ কি.মি. গতিতে বল করেন। যা ক্রিকেট ইতিহসের সর্বোচ্চ গতির বল।

ডন ব্রাডম্যানঃ টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ গড় রানের অধিকারী (৯৯.৯৪)।

ইমরান খানঃ অক্সফোর্ড ব্লু নামে পরিচিত।