বাংলাদেশের অবস্থান, সীমানা ও আয়তন

South Asia
  • দক্ষিণ এশিয়ায় আয়তনে বাংলাদেশের অবস্থান ৪র্থ ।

১) ভারত,

২) পাকিস্তান,

৩) আফগানিস্তান,

৪) বাংলাদেশ।

  • আয়তনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৪তম।
  • বাংলাদেশেন মোট আয়তন ১,৪৭,৬১০ বর্গ কি.মি.।
  • বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৫,১৩৮ বর্গ কি.মি.।
  • বাংলাদেশের মোট স্থল সীমা ৪,৪২৭ কি.মি.।
  • বাংলাদেশের মোট সমুদ্র উপকুলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কি.মি.।
  • বাংলাদেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে ২টি দেশের সাথে (ভারত ও মায়ানমার)।
  • বি জি বি রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতের সাথে বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৪,১৫৬ কি.মি.।
  • মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ২৮০ কি.মি.।
Bangladesh
Bangladesh (Source: Encyclopedia Britannica)

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা

  • বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
  • ১ নটিক্যাল মাইল সমান ১.৮৫৩ কি.মি.।
  • বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল / ৩৬৭ কি.মি.।
  • সমুদ্র সমতল থেকে সবচেয় উঁচুতে অবস্থিত দিনাজপুর জেলা (৩৭.৫০ মিটার)।
  • বাংলাদেশে মোট সমুদ্র অঞ্চল ১,১৮,৮১৩ বর্গ ‍কি.মি.।
  • বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি গভীর খাত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড।
  • বাংলাদেশ মায়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা জয় লাভ করে ২০১২ সালে।
  • বাংলাদেশ ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা জয় লাভ করে ২০১৪ সালে।
  • বাংলাদেশ ভারত বিরোধপূর্ণ সমুদ্র এলাকা ‍ছিল ২৫,৬০২ বর্গ কি.মি.।
  • বাংলাদেশ লাভ করে ১৯,৫৬৭ বর্গ কি.মি.।
  • ভারত লাভ করে ৬,১৩৫ বর্গ কি.মি.।
  • চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার প্রথম পূর্ণাঙ্গ মানচিত্র প্রকাশ করে।
  • সমুদ্র ‍বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালত ITLOS।
  • ITLOS এর পূর্ণরূপ International Tribunal for the Law of the Sea।
  • আন্তর্জাতিক সমুদ্র ‍বিষয়ক আইনকে বলা হয় UNCLOS ।
  • UNCLOS এর পূর্ণরূপ United National Convention on the Law of the Sea ।

আন্তর্জাতিক রেখা

বাংলাদেশ অবস্থিত মূল মধ্য রেখার পূর্ব গোলার্ধে এবং ‍নিরক্ষরেখার উত্তর গোলার্ধে। গ্রিনিচ থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ৯০পূর্বে। বাংলাদেশের উপরঅতিক্রম করেছে ২৩.৫ উত্তর অক্ষাংশ বা কর্কটক্রান্তি রেখা এবং ৯০ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা। বাংলাদেশের উপর দিয়ে উলম্বভাবে অতিক্রম করেছে ৯০ পূর্বদ্রাঘিমা রেখা। বাংলাদেশের উপর ‍দিয়ে সমান্তরাল/আনুভূমিকাভাবে অতিক্রম করেছে ২৩.৫ উত্তর অক্ষাংশ বা কর্কটক্রান্তি রেখা। কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে কুমিল্লা ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বরাবর। ৯০ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে শেরপুর ও বরগুনা জেলা বরাবর। কর্কটক্রান্তি রেখা ও দ্রাঘিমা রেখা একত্রিত হয়েছে ঢাকায়। ঢকার প্রতিপাদ স্থান চিলির নিকটে (প্রশান্ত মহাসাগরে)

ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত

বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য। উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য। পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং মায়ানমার। দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (ভারত)।

বাংলাদেশের তিনদিকে অবস্থিত ভারত। তরিতের মোট রাজ্য ২৮টি। ভারতের কেন্দ্র শাসিত রাজ্য ৮টি। ভারত সিলেটের পাদুয়া গ্রমটি দখলে নিয়েছিল ১৯৭১ সালে (পুনরুদ্ধার ২০০১ সালে)। বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে সীমান্ত পিলার স্থাপন করা হয় ১৯৫২ সালে। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি ( পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম)। বাংলাদেশের সাথে ভারতের যে রাজ্যের সীমান্ত সবচেয়ে বেশি পশ্চিমবঙ্গ।  বাংলাদেশের সাথে ভারতের যে রাজ্যের সীমান্ত সবচেয়ে কম আসাম। বাংলাদেশের যে বিভাগগুলোর সাথে ভারতের সীমান্ত নেই বরিশাল ও ঢাকা। বাংলাদেশ ভারত অমীমাংসিত সীমান্ত ২.৫ কি.মি. (ফেনী জেলার মুহুরীর চর)। বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে সীমান্ত চিহ্নিত করণের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির নামঃ JBWG । JBWG এর পূর্ণরূপ– Joint Boundary Woking Group । 

বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি। ভারতের সাথে বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার সাথে ভারতের জেলা নদীয়া। বাংলাদেশের সাতক্ষীরাজেলার সাথে ভারতের জেলা চব্বিশ পরগণা। বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার সাথে ভারতের জেলা জলপাইগুঁড়ি। বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সাথে ভারতের জেলা মুর্শিদাবাদ। বাংলাদেশের যে জেলার সাথে ভারতের সীমান্ত সংযোগ নেই বান্দরবান ও কক্সবাজার।

মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত

মায়ানমারের সাতে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩টিঃ রাঙামাটি, বান্দরবান , কক্সবাজার। মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশেল মোট সীমান্ত ২৮০ কি.মি.। ভারত ও মায়ানমার উভয়ের সাথে সীমান্ত সংযোগ রয়েছে রাঙামাটি জেলার।